স্বামী-বিয়োগ, বিবাহ-বিচ্ছেদ, বা অন্য শহরে চাকরি, এধরনের নানাবিধ কারণে মি`লনতা হারিয়ে যেতে পারে নারীর থেকে। এতে অনেক সময় ক্ষ-তিগ্র-স্থ হয় নারীশরীর।

মানসিকদিক থেকে সুখ ও শান্তি চলে যায়। অনেক দেখা দেয়। তবে কিছু ক্ষেত্রে ভালোও হয়। ভালো-মন্দ মিলিয়ে স-হবা-স বন্ধ হওয়ার কারণে কী কী আসে জেনে নিন –

আগের চেয়ে অনেক বেশি উতলা করে তোলে: আমরা সবাই জানি, মি-ল-নতা হতাশা, হাঁহুতাশ মেটাতে সাহায্য করে। কিন্তু কোনও অজ্ঞাত কারণে যদি নারীর জীবনে

স-হবা-সের চ্যাপ্টার বন্ধ হয়ে যায়, তবে মানসিক তৈরি হতে পারে। কথায় কথায় মন খারাপ, কিছু ভালো না লাগা, কারণে অকারণে অতিরিক্ত রাগ জন্মাতে শুরু হতে পারে।

ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়: সঙ্গমের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মূত্রনালীতে সংক্র-মণ হতে পারে।

প্রস্রাবের সময় জ্বা-লা-য-ন্ত্র-ণা শুরু হতে পারে তখন। কিন্তু স-হবা-স করা বন্ধ হয়ে গেলে ইউরিনারি ট্র্যাক্ট সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়।

সর্দি কাশি প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়: মি-ল-ন- করলে শরীরে রোগ-জীবাণুর প্রবেশ ক-ষ্টকর হয়ে ওঠে। অর্থাৎ, শরীরে রোগপ্রতিরোধ শক্তি গড়ে ওঠে। পেনসিলভেনিয়ার

উইলকিস-বারে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের মত, সপ্তাহে অন্তত দু’বার স-হবা-স- করলে ইমিউনোগ্লোবিন অ (ছোটো করে বললে, ওমঅ। এই হরমোনের নিঃসরণ শরীরে

রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়) হরমোনের পরিমাণ ৩০% বাড়িয়ে দিতে পারে। ফলে সর্দি, কাশি, জ্বর হওয়ার প্রবণতা কমে যায়।

কিন্তু মি-ল- করা হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলে কমজোরি হয়ে পড়ে নারীশরীর। সর্দি, কাশির শুরু হয়।

হৃদয় হার মানতে শুরু করে হরমোনের কাছে: দেশ-বিদেশের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা বলছে, স-হবা-স করলে ভালো থাকে। হরমোনের নিঃসরণ যথাযথ পরিমাণে হতে থাকে।

কিন্তু অনেকদিন স-হবা-স বন্ধ থাকলে হৃদযন্ত্রে নেতিবাচক সমস্যা তৈরি করতে পারে। শরীর কমজোরি হয়ে পড়ে। নিয়মিত এক্সারসাইজ় করলে বা ট্রেডমিলে দৌড়ালেও লাভ হয় না।

স-হবা-স করার ইচ্ছে চলে যেতে পারে: যাঁরা মনে করেন, নিয়মিত স-হবা-স করার অভ্যাসে একবার দাঁড়ি বসলে, কামনা-বাসনার লাগাম ছাড়িয়ে যায়। তা হলে তাঁরা ভুল জানেন।–

স-হবা-স করা হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলে, মিলিত হওয়ার বাসনা কমে যায়। এটা মহিলাদের ক্ষেত্রে বেশি প্রযোজ্য। শরীরে উত্তেজনা লোপ পেতে শুরু করে। একটা সময় পর আর কামেচ্ছা জাগে না।

বুদ্ধি কমে যায়: নিয়মিত সহবাস করা শুরু করলে, সেটা যদি হঠাৎ বন্ধ হয় যায়, তবে বুদ্ধি লোপ পেতে পারে। সারাক্ষণের ক্লান্তি, হতাশা মস্তিষ্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে

পারে। যার ফলে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয় স্মরণশক্তি। সবকিছু ভুলে যাওয়ার সমস্যা তৈরি হতে থাকে। আর এর জন্য দায়ি একমাত্র সহবাস থেমে যাওয়া

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here