গত বছরের অগাস্ট মাসে ইউটিউবে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছিল ভারতের অভিজ্ঞ আনন্দ নামের এক কিশোর জ্যোতিষ। ভিডিওটি সেই সময় ভাইরাল হয়।‘Severe

Danger To The World From Nov 2019 To April 2020’ নামের সেই ভিডিওতে বিধ্বংসী করোনা ভাইরাসের ইঙ্গিত দিয়েছিল অভিজ্ঞ। জানিয়েছিল, গোটা বিশ্বে একটি

মারণ রোগ মানুষকে চরম সংকটে ফেলবে, নভেম্বর ২০১৯ থেকে ২০২০ সালের এপ্রিল পর্যন্ত সময়টা মানবজাতির জন্য চূড়ান্ত ভয়ঙ্কর।

সে এও জানিয়েছিল, মারণ রোগের প্রকোপ ২০২০ সালের ৩১ মে’র মধ্যে কমে যাবে। কিশোর জ্যোতিষীর কথা কার্যত ফলে যাওয়ায় ফের নতুন করে শিরোনামে উঠে এসেছে

আরও একটি চরম বিপর্যয় যা চলবে ২০২১ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে তুলসী পাতা খাওয়ারও পরামর্শ দিয়েছে অভিজ্ঞ। সেই জন্যে জলে কাঁচা

হলুদ, জোয়ান আর আদা দিয়ে গরম করে সেই জলের ভাপ নিতে বলছে । এতে ভা’ইরাস নাক বা কান দিয়ে শরীরে প্রবেশ করতে পারবে না।

আরো পড়ুন্‌, নগরের মোমিন রোড ও চেরাগী পাহাড় এলাকায় গড়ে ওঠা ছোট-বড় ৬২টি ফুলের দোকানের অধিকাংশই এখন বন্ধ। করোনাকালে তাই জমেনি বৈশাখের

ফুল বিকিকিনি। বাংলা নববর্ষের দিন মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ফুলের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ক্রেতা নেই। জেলার

দক্ষিণাঞ্চল থেকে আসা হলুদ ও কমলা রঙের গাঁদা ফুল বিক্রির জন্য কয়েকটিদোকান খোলা হয়েছে। তাদের সংগ্রহে আছে অল্প সংখ্যক রজনীগন্ধা আর জারবেরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here