ডেস্ক রিপোর্ট ● কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে কিশোরী ধ’র্ষণ মা’মলার আ’সামি গলায় ফুলের মালা পরে মোটরসাইকেল শোডাউন ও আনন্দ, উল্লাস করে এলাকায় আ’তঙ্ক তৈরি করেছে। ধ’র্ষক সোহেল নাঙ্গলকোট উপজে’লার বাঙ্গড্ডা ইউনিয়নে

সে আপন ভাতিজিকে ধ’র্ষণের দা’য়ে পু’লিশের হাতে গ্রে’ফতার হয়। জা’মিন নিয়ে এসে ধ’র্ষক সোহেল শুক্রবার (১৭ জুলাই) গলায় ফুলের মালা পড়ে এলাকায় মোটরসাইকেল শোডাউন ও উ’ল্লাস করে।

এদিকে আ’সামি গ্রে’ফতারের পর আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা কিশোরী স’ন্তান প্র’সব করে। এর আগে গত (১৪ জুন) ভু’ক্তভোগী কিশোরীর বাবা জালাল উদ্দিন মেয়েকে ধ’র্ষণের ঘ’টনায় আপন ভাই সোহেলের বি’রুদ্ধে নাঙ্গলকোট থা’নায় নারী ও শিশু নি’র্যাতন দ’মন আ’ইনে মা’মলা করেন।

এর পরদিন (১৫ জুন) ভাতিজিকে ধ’র্ষণের ঘ’টনায় ধ’র্ষক সোহেলকে গ্রে’ফতার করা হয়। খোঁ’জ নিয়ে জানা যায়, গত বছরের নভেম্বর মাসে তার স্ত্রীর ক্যান্সার চিকিৎসার জন্য কুমিল্লার একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে যান। চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক ওই ক্লিনিকে ৫/৬ দিন অবস্থান করেন।

পরবর্তীতে থা’নার ওসির মাধ্যমে বাচ্চাটিকে দ’ত্তক দেয়া হয়। গত মঙ্গলবার ধ’র্ষক সোহেল কারাগার থেকে বের হয়ে শুক্রবার এলাকায় মোটরসাইকেল শোডাউন করে। এতে ওই ভু’ক্তভোগী পরিবারের মাঝে আ’তঙ্ক তৈরি হয়।

নাঙ্গলকোট থা’নার ওসি বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ধ’র্ষণের শিকার কিশোরীর বাবার মা’মলায় ধ’র্ষক চাচা সোহেলকে গ্রে’ফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। তবে জা’মিন নিয়ে আসার বিষয়টি আদালত জানে। মোটরসাইকেল শোডাউন এবং উ’ল্লাসের বিষয়টির খোঁ’জ নিচ্ছি।

তিনি বলেন, এর আগে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষা এবং সন্তান প্র’সবের পর মা ও শিশুর ডিএনএ টেস্টের জন্য নমুনা পাঠানো হয় ঢাকায়। সেই টেস্টগুলোর রিপোর্ট এখনও ঢাকা থেকে আসেনি। রিপোর্ট আসলে সেই অনুযায়ী পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেয়া হবে।র হেসিয়ারা পূর্বপাড়ার আবদুল মন্নানের ছেলে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here