আবার কারো কারো অ’ল্প কিছুদিনের ভিতর সমাধ’ন হয় আবার কারো কারো টাইম বেশি লাগে কারণ সবার শ’রীরের অ’বস্থা একই রকম না। দ্রুত বী’র্যপাত রোধে কম কো’লস্টেরল ও কম চিনি সমৃদ্ধ খাবার খান।

প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় এক কাপ গরম দু’ধের সাথে ১০ টি বাদাম (পানিতে ভিজিয়ে রাখা), জাফরান, এক চিমটি আদা ও এক চিমটি এলাচ মিশিয়ে খান। যৌ’ন জীবনকে উপভোগ করতে নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খান। মনে রাখবেন যৌ’ন জীবনে অশান্তি মানেই হলো আপনার জীবন তেজপাতা !

আজ এই পর্যন্ত আবারো অন্য কোন টিপস নিয়ে আপনার ডক্টর হাজির হবে আপনাদের সামনে। ধ’ন্যবাদ অদ্ভুত কিছু খদ্দেরের কথা ফাঁ’স করলেন প্রাক্তন যৌ’নকর্মী তিনি এখন আর যৌ’নকর্মী নন। তবে যখন যৌ’নকর্মী ছিলেন, তখনকার কিছু স্মৃ’তিচারণ করে,

কজন পু’রুষের ব্যতিক্রমী কিছু আকাঙ্ক্ষার কথা ফাঁ’স করে দিয়েছেন তিনি। বলেছেন নিজের অ’ভিজ্ঞতার কথা, শুনিয়েছেন- কী ধরনের খদ্দেরের সঙ্গে দেখা হয়েছিল তার। ঘ’টনা এক, চামড়ার বুট পরে দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি। আকস্মিকভাবে এক ব্যক্তি এসে তার বুট চাটতে থাকেন!

ঘ’টনা চার, তার একজন নিয়মিত খদ্দের ছিলেন। একটি হার্ডওয়্যারের দোকানে যৌ’নমি’লন হতো তাদের। কিন্তু মাঝে মধ্যে দেখা না হলে উক্ত খদ্দের তাকে টাকা পাঠিয়ে দিতেন। এ সব ঘ’টনা ছাড়াও তিনি এমন কিছু পু’রুষের দেখা পেয়েছিলেন যারা তাকে জানিয়েছিলেন যে,

পু’রুষ না হয়ে না’রী হয়ে জন্মালে দেহব্যবসাকেই বেছে নিতেন তাঁরা। এছাড়াও এমন কিছু পু’রুষের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়েছিল যারা তাকে কোনো কিছুর জন্য জো’র-জবরদস্তী করতেন না। কেন তাঁরা জো’র করতেন না? সাবেক যৌ’নকর্মী জানিয়েছেন- কিছু খদ্দের হয়তো বুঝে গিয়েছিল যে তিনি ঘণ্টা প্রতি তাদের থেকে বেশি উপার্জন করেন। এ জন্য হয়তো ব্যতিক্রমী কিছু খদ্দের সম্মান করতেন তাকে। এমনও হতে পারে- খদ্দের তার কাছে যা চাইছেন, সেটি জো’র করে পাওয়া যাবে না বিধায় জো’রাজুরি করতেন না কেউ কেউ।

একাধিক পু’রুষের সঙ্গে একই সময়ে যৌ’নতায় অংশগ্রহণ করতে অনাগ্রহী ছিলেন সাবেক এই যৌ’নকর্মী। কেননা, এ বি’ষয়টি তার কাছে ধ’র্ষণের সামিল মনে হতো। তিনি আরও জানিয়েছেন- অল্প বয়সী খদ্দেররা নিজেদের বেশি স্মার্ট মনে করতেন। তারা সঠিক দাম তো দিতই না উল্টো চোখের আড়ালে টাকা চু’রি করত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here