ল্যাবিয়া মেজরা বা যো’নীর বাইরের দিকের পাপড়ি বা পাতা প্রায় সম্পূর্ণ ভাবে এক সাথে লাগানো থাকবে এবং যো’নী মুখ দেখা যাবেনা।ল্যাবিয়া মাইনরা বা ভিতর দিকের পাপড়িও সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ থাকবে

এবং ল্যাবিয়া মেজরা বা বাইরের দিকের পাপড়ি দিয়ে ঢাকা থাকবে পুরোটাই। ল্যাবিয়া মেজরা না সরালে সাধারন ভাবে দেখা যাবেনা। সতিচ্ছেদ বা হাইমেন অক্ষ’ত থাকবে।

হাইমেন যদিও বেশ কিছু কারনে ছিঁ’ড়ে যেতে পারে। এটি ছিঁড়লে সাধারণত র’ক্তপাত হয়। সাইকেল চা’লানো, সাতার কা’টা বা অন্য কোন কারনেও হাইমেন ছিঁড়ে জেতে পারে কোন মি’লন ছাড়াই।

কুমারী না’রীর স্ত’ন স্বাভাবিক ভাবে ছোট থাকে। বুক চ্যাপ্টা হবে গোল নয়। স্ত’ন হবে না বরং দৃঢ় হবে।নিপলের চারপাশে যে অংশ থাকে তার রঙ গোলাপি থেকে হালকা বাদামী রঙ এর মতো হবে (কম গাঢ় রঙ হবে) এবং নিপলের আকার ছোট হবে।

যো’নির চামড়া দুদিকে সরালে যো’নি ছিদ্র দেখতে পাবেন। পর্দা আছে কিনা চেক করুন। পর্দা কেমন কীভাবে বুঝবো এসব বুঝার দরকার নেই, পর্দা থাকলে দেখলে এমনিতেই বুঝবেন।

পর্দা থাকলে তো কোন কথাই নেই পর্দা না থাকলেও স’মস্যা নাই। হতাশ হওয়ার কিছু নেই। সেক্ষেত্রে ছিদ্রের আকার ের দিকে নজর দিন ।ছিদ্রের মুখ যদি গোলাকার হয় তবে মে’য়েটি ভার্জিন।

ভার্জিন মেয়ের বা সতী মেয়ে নিয়ে এবার কিছু সোজা সাপটা কথা।মে’য়ে ভার্জিন কিনা চেক করার আগে নিজের অবস্থা চেক করুন। আপনি জীবনে কত

মে’য়ের সাথে প্রেম করছেন? কত মে’য়ের হাত ধরছেন? রাস্তায় কইবার মে’য়েদের টাচ করছেন? কল্পনার কথা বাদ দিলাম কেননা তার হিসাব আপনার কাছেও নাই।

অনেক সময় মে’য়ে ভার্জিন হওয়ার পরেও খা’রাপ হয় কিংবা বিয়ের আগে মে’য়ে প্রেম করেনি ঠিক কিন্তু বিয়ের পর পরকিয়া করে খায়েশ মিটায়! এদের ক্ষেত্রে কি বলবেন?আবার অনেক মে’য়েই

নিজের কাছের মানুষদের থেকেই নি’র্যাতন এর স্বীকার হয়, অনেক সময় অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে অনেক কিছু হয়ে যায়।কোন দু’র্ঘ’টনার কারনেও মে’য়েদের গো’পন অ’ঙ্গের পরিবর্তন হয়ে জেতে পারে।

তাই সব ক্ষেত্রে মে’য়ের শারিরিক ভারজিনিটি না দেখে চারিত্রিক দিকটাও দেখেন।তাই বলে জেনে শুনে খবিশ মে’য়ে বিয়ে করতে বলছি না, আপনার অধিকার আছে মে’য়ের ব্যাপারে জানা।

কিন্তু বিয়ে হয়ে যাওয়ার আগে তো যো’নী দেখতে পারবেন না তাই না?আর বিয়ে হয়েই যখন গেছে তখন স্ত্রীর যো’নী হাতিয়ে অতিত খুজে সংসার ন’ষ্ট করা বোকামি ছাড়া কিছুই না।

স্ত্রী কে উপদেশ দিন, বর্তমান ভবি’ষ্যৎ কীভাবে ইসলামিক ভাবে চলতে পারবে সেভাবে চলতে উৎসাহ দিন।কোন এক আলেম থেকে শুঞ্ছিলাম বিয়ের পর অতীত জানতে চাওয়া ঠিক না।

আপনি নিজেই ভাবুন আপনার অতীত কি দু’ধের মত সাদা? অতীত হাতড়ালে আপনারও এমন অনেক কিছু বের হবে যা আপনার স্ত্রীর জন্য দূর কি বাত আপনি নিজেও নিজেকে ঘৃণা করতে পারেন। আছে না এমন অনেক পাপ?

যদি বলেন না নেই তাহলে বলবো আপনি পাপ কে ছোট করে দেখছেন তাই আনার নিজের বড় পাপ গুলোও ছোট হয়ে দেখাচ্ছে ।তাছাড়া আমরা সবাই নিজেদের কাছে ভালো মানুষ, যত দোষ সব অপরজনের।এ কথা মে’য়েদের ক্ষেত্রেও সেম।

আপনি যদি প্রে’মিকা ভার্জিন কিনা জানতে এই লেখা পড়ে থাকেন তাহলে আপনি বিয়াদব এবং খবিশ। আপনার শ’রীর অন্তর সবই পচা অথচ অপর না’রীর দে’হ ভার্জিন কিনা দেখে বেড়ান। আপনার স্ত্রী’কেও তার প্রে’মিক হাতিয়ে দেখুক ভার্জিন কিনা ,কেমন হবে তখন?

আর আপনি যদি আপনার স্ত্রী ভার্জিন কিনা জানতে পড়েন তাহলে বলবো ভাই, বাদ দেন।মে’য়ের চরিত্র এখন কেমন দেখেন। ক্লাস ৯ এ থাকতে মে’য়ে একবার ভু’লে কি করছিলো সেটা দেখে আপনার সংসার ন’ষ্ট করার মানে

নাই যদি মে’য়ে এখন শুধরে নেই।তাছাড়া আমাদের দেশ মু’সলিম দেশ এবং রক্ষণশীল। বাইরে যতই হাংকি পাংকি দেখেন না কেনো এখনো দেশ অতটা ধ্বং’স হয়নি যে মেজরিটি মে’য়ে চরিত্রহিন হয়ে গেছে।

মেজরিটি % মে’য়ে এখনো ভার্জিন। তবে অনার্স পড়ুয়া মে’য়ের ব্যাপারে এখন কথা আছে।আর যদি প্রেম করা পাবলিক হয় তাহলে প্রে’মিক কে নুড দেইনি এমন হওয়ার চান্স খুব কম।এদের থেকে দূরে থাকাই উত্তম।

আমি নিজে দেখছি এক মে’য়ে আরেক মে’য়েকে টিটকারি মা’রতে এই বলে যে এখন নাকি সব প্রে’মিক প্রে’মিকারাই এসব ছবি আদান প্রদান করে!!

এসব করা এখন আর তেমন কিছু না ( এক মে’য়ে আরেক মে’য়ে কে উপদেশ দিছিলো এসব না করতে তার কমেন্টে মে’য়েরাই ঐ মে’য়েকে ধুয়ে দিছিলো!! এরা সবাই শহরের লেখাপড়া করা মে’য়ে।

বিয়ের ক্ষেত্রে আমাদের ইসলামের নির্দেশ হলো চেহারা, সম্পদ এর চেয়ে মে’য়ে দ্বীনদার কিনা দেখা।মে’য়ে পর্দা করে কিনা, মাহরাম নন মাহরাম মেনে চলে কিনা

এসব দেখেন।মাহরাম মেনে চলা বড় কথা কেননা অনেক মে’য়েকেই এখন বোরকা হিজাবে দেখে পর্দা করা মে’য়ে মনে হতে পারে কিন্তু পড়ে দেখবেন এরা Just Friend Best Friend / ছেলে কাজিন এদের কে কিছু মনেই করেনা।

পারলে গা দিয়ে ঘষা ঘষি করেই অর্গাজম করে এমন অবস্থা!সংসারে শান্তি চাইলে নিজে ভালো মু’সলিম হোন, ভালো মু’সলিম মে’য়ে বিয়ের চেষ্টা করুন এবং ভালোভাবে পরিবারে ইসলাম কায়েম করুন।

অনেক কথা বললাম। ভাল লাগা খা’রাপ লাগা নিয়ে ভাবছি না। যদি ইসলাম এর সাথে যাই না এমন কিছু বলে থাকি তাহলে দলিল ,যুক্তি দিয়ে কমেন্টে জানাতে পারেন, এক্ষেত্রে দরজা খোলা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here